শিবির নেতা জিসানকে ঘিরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, মিলছে না স্পষ্ট জবাব
নিজস্ব প্রতিবেদক | FirstBarta.com
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান মিয়াকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। তিনি অপহরণের শিকার হয়েছিলেন নাকি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন—এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য সামনে আসায় জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
জিসানের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথমে তাকে নিখোঁজ দাবি করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। তবে পুলিশ জানায়, তদন্তে তারা প্রেমঘটিত সম্পর্ক এবং আত্মগোপনের তথ্য পেয়েছে। পুলিশের দাবি, অপহরণের কোনো প্রমাণ তারা পায়নি।
অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, জিসানকে উদ্ধারের পর দীর্ঘ সময় পরিবারের সদস্য ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত বিবরণ জানা সম্ভব হয়নি বলে দাবি তাদের।
এদিকে, এক নারীর দায়ের করা মামলায় জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বিয়ের প্রলোভন এবং জোরপূর্বক গর্ভপাতের চেষ্টা-সংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।
জিসানকে নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের মধ্যে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুলিশের পদক্ষেপ যথাযথ ছিল কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।
তবে পুলিশ বলছে, আইন অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই।











